অনুযায়ী খ্রিস্টান বিধান কলকাতায় বিবাহ বিচ্ছেদ : একটি নির্দেশিকা
কলकाता நகரம்-এ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের для separar-এর বিধান সম্পর্কিত একটি সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা এখানে উপস্থাপন করা দেওয়া হলো। নিয়মিতভাবে সিটি- আদালত এই- বিষয়টি একবার-এর প্রতি দৃষ্টি দেয়। বিবাহ বিচ্ছেদ-এর request কোর্টে দখল করতে পূর্বে কিছু essential বিষয় যেমন বিবাহের dependent কারণ এবং dowry-এর affairs understand নেওয়া required। request ready করতে time-এ একজন skilled న్యాయవాది-এর সাহায্য নেওয়া ভালো হবে।
কলকাতায় খ্রিস্টান আইন অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছিন্নতা প্রক্রিয়া
কলিকাতার স্থান-তে, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছিন্নতা -এর নির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিক process রয়েছে। সাধারণত , এই পদ্ধতি অধীনে , ক্ষতিগ্রস্ত স্বামী অথবা মহিলা অভিযোগ দাখিল করতে পারেন। দরখাস্তে বিবাহ বিচ্ছেদ-এর হেতু উল্লেখ করতে হয়, যেমন click here - ব্যভিচার, নিষ্ঠুরতা, অথবা বিচ্ছেদ। আদালত then , উভয় parties -কে তলব করে এবং mediation -এর attempt করে। যদিচ mediation ব্যর্থ হয়, court বিবাহ বিচ্ছেদ-এর decree প্রদান করে, যা 财产 এবং শিশু-দের হেফাজত-এর বিন্যাস নির্ধারণ করে। এই সম্পূর্ণ procedure ভারতীয় Christian Marriage Act অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
একজন খ্রিস্টান আইন অনুসারে বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়ে দরখাস্ত : কলিকতা
একজন খ্রিস্টান বিশ্বাসী ব্যক্তিদের কলकाता এবং অন্যান্য স্থানে বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদনের বেশ কঠিন প্রক্রিয়া {হয় | হতে পারে | আছে]। সাধারণত কয়েকটি বিধি ও শর্তাবলী {বিদ্যমান | রয়েছে | থাকে]। আবেদন করণের আগে এক উকিল আইনজীবীর উপদেশ নেওয়া {প্রয়োজনীয় | দরকারি | উচিত]। বিবাহ বিবাহ ছাড়া দরখাস্তে বাদী কিছু কাগজপত্র {জমা দিতে হবে] এবং আদালতের আদেশ অধীনে {ব্যবস্থা নেওয়া । এইরকম বিষয়য়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য একজন উকিলের সঙ্গে যোগাযোগ {করতে পারেন | করা উচিত | করতে পারবেন]।
উকিলের উপদেশ
দরকারি দলিল
আবেদনের শর্ত
কলকাতায় খ্রিস্টান ব্যক্তিগত আইনের অধীনে বিবাহ-বিচ্ছেদ
কলিকাতায় শহরে, খ্রিস্টান ঘরোয়া আইনের অধীনে বিবাহ বিচ্ছেদ প্রক্রিয়াটি কিছু জটিল বিষয় сопровождать। এই আইন অনুযায়ী, মূলত দাম্পত্য नाते Termination এর জন্য কয়েকটি বিশেষ প্রয়োজনীয়তা থাকতে হয় হবে। আবেদনকারিণী পক্ষ -কে প্রমাণ দিতে হয় যে, বিবাহ -এ প্রধান কিছু ত্রুটি হয়েছে, যা insurmountable বলে চিহ্নিত হওয়া। न्यायालय -এর কার্যাবলী হলো প্রমাণ-এর উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
{কীভাবে | কিভাবে | কিভাবেই) কলকাতায় খ্রিস্টান আইন {অনুযায়ী | ভিত্তিতে | মেনে) বিবাহ তালাক
কলकाताতে খ্রিস্টান নিয়ম অনুযায়ী বিবাহ {বিচ্ছেদ | তালাক | পরিত্যাগ) প্রক্রিয়াটি {সম্পন্ন | করতে | পরিচালনা) করার জন্য, মূলত একজন {যোগ্য | অভিজ্ঞ | দক্ষ) আইনজীবীর {সাহায্য | পরামর্শ | দিকনির্দেশনা) নেওয়া {প্রয়োজন | দরকার | উচিত। অনেক সময় {আবেদন | মামলা | প্রক্রিয়া) {দাখিল | পেশ | জমা) করার আগে, {প্রয়োজনীয় | উপযুক্ত | দরকারি) দলিলপত্র {সংগ্রহ | একত্রিত | প্রস্তুত) করতে হবে। {বিবাহের | বৈবাহিক | দাম্পত্য) {চুক্তি | বোঝাপড়া | সম্পর্ক) {বাতিল | বাতিলকরণ | রদ) করার ভিত্তি যেমন { adultery | মানসিক {অবস্থা | পরিস্থিতি | পরিস্থিতি), নিষ্ঠুরতা, অথবা {অন্যান্য | বিভিন্ন | একাধিক) {গুরুত্বপূর্ণ | গুরুতর | বড়) {বিষয় | সমস্যা | জটিলতা) {প্রমাণ | দেখাতে | স্থাপন) করতে হয়। {আইনজীবীর | একজন | বিশেষ) {সাহায্য | পরামর্শ | সহায়তা) আপনাকে {সঠিক | যথাযথ | উপযুক্ত) {পথে | দিকে | উপায়ে) { guidance | সহযোগিতা | সমর্থন) করতে পারে এবং {court | আদালত | বিচারসভা)-এর সম্মুখে আপনার {অধিকার | স্বত্ব | পাওনা) জিম্মি করতে করবে।
বিবাহ বিচ্ছেদ এ কிரிষ্টান আইনের প্রয়োগ : কলকাতার পটভূমি
কলকাতায় দাম্পত্য বিচ্ছেদ-এর ক্ষেত্রে খ্রিস্টান আইন -এর প্রয়োগ একটি বিশেষ বিষয়। মূলত ১৮৬৯ সালের খ্রিস্টান বিবাহ আইন অনুযায়ী, বিবাহিত সম্পর্ক আলাদা হয়ে মামলা দায়ের করা যেতে পারে। কিন্তু আদালত -এর দৃষ্টি বিষয় -র ওপর নির্ভর করে, যেমন - mutual রাজি, கொடுமை, অথবা অন্যান্য জরুরি কারণ বিদ্যমান আছে কিনা। কলকাতা- আদালত এক্ষেত্রে জড়িত বিধি এবং প্রথা-এর পর্যালোচনা করে ফয়সালা নেয় ।